৩১২ বছরে পদার্পন করলো মেখলিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ভান্ডানি মেলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ:অবশেষে স্বাস্থ সংক্রান্ত নিয়ম মেনে শুরু হলো কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের রানীরহাটের ঐতিহ্যবাহী ভান্ডানি মেলা, এবার 312 বৎসরে পদার্পন করলো রানীরহাটের ভান্ডানি মেলা l উদ্যোক্তারা জানান l

মূলত একাদশীর দিন থেকেই এই মেলা বসে,তবে লক্ষী পূজার পরের দিন থেকেই মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়ে থাকে l জানাগেছে, মা ভান্ডানি এখানে দ্বি -ভুজা নিরস্ত্র ব্যাঘ্র বাহিনী, তার একপাশে লক্ষী ও আর এক পাশে সরস্বতী l

লোক কথা অনুযায়ী, দশমী তিথিতে,মর্তলোক থেকে কৈল্লাসে সপরিবারে ফিরছিলেন মা দূর্গা, সেই সময়,ফেরার পথ খুঁজে না পেয়ে, গভীর বনের মধ্যে কার্তিক ও গণেশ কে হারিয়ে ফেলেন মা দূর্গা, সেই সময় গভীর বনের মধ্যে একটি মেয়ের রূপ ধারণ করে কান্না শুরু করেন l

পরে রাজবংশী সমাজের লোকজন ও কিছু সংখক রাখাল সেই কান্নার আওয়াজ শুনতে পেয়ে দয়া বসত,তাকে উদ্ধার করে, নিজেদের ঘরে নিয়ে আসেন l সেই সময় মানবরূপী দেবী নিজেকে রাজবংশী যুবতী মেচেনি নামে পরিচয় দেন, উপস্থিত জনতার কাছে l তাকে বাড়ি নিয়ে আসার সময় রাস্তার দুই ধারের ফসল শস্যসেমলা হয় l

সেই থেকে রাজবংশী সমাজের মানুষজন মনে করেন এ তো কোনো সাধারণ মেয়ে নয়, সাক্ষাৎ সস্যের দেবী,, সেই থেকেই তাকে সস্যের দেবী বা ভাণ্ডারের দেবী রূপে পূজাঅর্চনা শুরু করেন l, রাখাল ও রাজবংশী সমাজের লোকেরা l গভীর বনাঞ্চল থেকে মানবরুপী ভান্ডানি দেবীকে উদ্ধার করা হয় জন্য,অনেকেই আবার ভান্ডানিকে বন দুর্গাও বলে থাকেন l

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *